Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2017

পর্যায় সারণী মনে রাখার সহজ উপায় ও সহায়ক ইবুক

পর্যায় সারণীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মৌল আমাদের সবসময়ই মনে রাখতে হয়।এর মধ্যে ৯ম শ্রেণীর জন্য ৩০ টি মৌলের নাম মুখস্ত থাকতেই হয়।সবার পক্ষে সমান ভাবে এই মৌল গুলোর প্রকৃত নাম অনুযায়ী মনে রাখা সম্ভব না।প্রায় সকল শিক্ষার্থী কিছু সংক্ষিপ্ত ছন্দে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা করে।এবং এই পদ্ধতিটি বেশ কাজের। আমি যতগুলো ছন্দ জানতাম সবগুলোই এখানে দিয়েছি।ছন্দগুলো আমার নিজের বানানো নয় অনেক আগে থেকেই এগুলো ব্যাবহার হয়ে আসছে। Google drive এর লিংক এর জন্য দেখাবে ক্লিক করুন                   রসায়নের  বেসিক বিষয় গুলো নিয়ে একটি ইবই খুঁজে পেয়েছি।tanvircox ইউজারনেমের একজন ব্যক্তির দ্বারা তৈরি PDF টি বেশ কাজের বলে আমার মনে হয়েছে।প্রায় সকল সাধারণ বিষয়ের সংগা আর ছোট খাট কিছু ট্রিক্স আছে এতে CHEMISTRY BASICS ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ফাহিম মোন্তাসির আমার ওয়েবসাইট fahimscirex@gmail.com A.C.PS

সৌরজগতের তথ্যাবলীর চার্ট

নবম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি বইয়ের তৃতীয় অধ্যায় এর সৌরজগৎ এর সাধারণ বিষয়াবলী এক নজরে দেখার সুবিধার্তে একটি চার্ট করেছি।আশা করি সকলের কাজে লাগবে।কিছু তথ্য বইয়ে নেই আমি নিজে হিসেব করে বের করেছি।কিছু উইকিপিডিয়া থেকে সংগ্রহীত।তথ্যের সূত্রের ভিন্নতার ভিত্তিতে হয়ত কিছু তথ্য এদিক সেদিক হতে পারে।তবে বইয়ে যা দেওয়া আছে তাই তুলে দিয়েছি।কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই যোগযোগ করবেন। PDF লিংকের জন্য  এখানে ক্লিক করুন ফাহিম মোন্তাসির fahimscirex@gmail.com A.C.P.S

সাম্প্রতিক সমস্যা সমাধানে ধর্মীয় চেতনা

আমরা কতটুকু ধার্মিক? প্রশ্নের উত্তর আসবে "এখন তো এমন মানুষ দেখিই না" "কি আর বলবো কোনো হুজুর কেই বিশ্বাস করা যায় না আর আমরা তো সাধারণ মানুষ" ইত্যাদি ইত্যাদি।এখন তো কেউই ধার্মিক পথে চলতে ভয় পায়,"ধর্ম কর্ম করবো তাহলে বাঁচবো কিভাবে?" তারা স্বীকার বা বিশ্বাস করতে চায় না বাঁচানোর মালিক আল্লাহ। এই লেখাটা যারা পড়ছে আমি ধরে নিচ্ছি সবাই শিক্ষিত এবং মোটামুটি সচ্ছল।আমরা নিজেরাই বলি আমরা ধার্মিক না আর অন্য কাউকেও ধার্মিক বলে বিশ্বাস করি না।বাস্তবতা এটা না।আমরা এত শিক্ষিত হয়েও ধর্মীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারি না,সেখানে সামান্য(যদিও অসামান্য) একজন রিকশাওয়ালা প্রতিনিয়তই তার ধার্মিক হওয়ার কাজ করে যাচ্ছে। ঘটনার সূত্রপাত সম্বন্ধে বলি। জে.এস.সি পরীক্ষার কয়েক মাস আগে সন্ধ্যাবেলা কোচিং থেকে তিনজন বন্ধু সহ বাসায় ফিরছিলাম।একটা তেমাথার মোড়ে আমাদের বাসার রাস্তা ভিন্ন ভিন্ন দিকে চলে গেছে।ওই মোড়ে আমরা কথা বলছিলাম অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশের টাকার মানের পার্থক্য নিয়ে।পাশে এক রিকশাওয়ালা তার রিকশায় বসে ছিলো।আমাদের কথাগুলো সে শুনছিলো।এক পর্যায়ে বিনয়ের সাথে জিজ্ঞাসা করলো আ...

নিউট্রনের চার্জ নিরপেক্ষ হওয়ার কারণ

প্রোটন,নিউট্রন,ইলেক্ট্রন সম্পর্কে আমরা প্রায় সবাই জানি।প্রাথমিকভাবে পরমাণু সমন্ধে আমরা যে ধারণা পাই,সেটা হলো প্রকৃতির সব কিছুই পরমাণুর এই তিনটি কণা দিয়েই গঠিত। আর্নেস্ট রাদারফোর্ড প্রোটন আবিষ্কার করেছিলেন।নিউট্রন আবিষ্কৃত হয় চ্যাডউইক এর মাধ্যমে এবং ইলেক্ট্রন আবিষ্কার করেন জে.জে থমসন।প্রোটনের প্রকৃত আধান 1.60×10-19 কুলম্ব,যাকে আপেক্ষিকভাবে +1 ধরা হয়।ইলেক্ট্রনের প্রকৃত আধান প্রোটনের বিপরীত অর্থাৎ   -1.60×10-19 যাকে আপেক্ষিকভাবে -1 ধরা হয়। কিন্তু নিউট্রনের কোনো আধান নেই কেন?এই প্রশ্নের সহজ একটি উত্তর রয়েছে,যা জানতে হলে কোয়ার্কের কথা বলতে হবে। নিউট্রন ও প্রোটন পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে এবং এরা কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি।মোট ছয় রকম কোয়ার্ক রয়েছে প্রকৃতিতে।এদের মধ্যে দুটি হলো আপ ও ডাউন কোয়ার্ক।কোয়ার্কেরও চার্জ রয়েছে তবে সেটা পূর্ণ সংখ্যা নয়।আপ কোয়ার্কের চার্জ +2/3 এবং ডাউন কোয়ার্কের চার্জ -1/3। প্রোটন তৈরি দুটি আপ কোয়ার্ক আর একটি ডাউন কোয়ার্ক মিলে।আর নিউট্রন তৈরি দুটি ডাউন কোয়ার্ক এবং একটি আপ কোয়ার্ক নিয়ে। যদি নিউট্রনের কোয়ার্কগুলোর চার্জ যোগ করা হয় তাহলে ফল হবে, -1/3-1/3+2/3=0 অর্থাৎ চার্জ ...

শ্রমিক দিবস

১লা মে দিনটি পৃথিবীর অনেক দেশে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হয় যা মে দিবস নামেও পরিচিত। বাংলাদেশসহ অনেক দেশেই এ দিনটি সরকারীভাবে ছুটির দিন। ১৮৮৬ সালের মে মাসে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক আন্দোলন ও আত্মাহুতিকে এদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরন করা হয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশে পালিত হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এইদিনটি পালিত হয় না। 'শ্রমিক' - সভ্যতার প্রতিটি ইট,বালু, পাথরে যাদের ফোটা ফোটা ঘাম জড়িয়ে আছে তারা কিন্তু কখনোই সভ্যতার আশীর্বাদধন্য শ্রেনী ছিলনা, এখনো নয়। আজকের এই পোস্টে ১৮৮৬ সালের শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক সেই আন্দোলন নিয়েই লিখব বলে ঠিক করেছি। ঊনিশ শতকের গোড়ার দিককার কথা। শ্রমিকরা তখনো শোষিত, সপ্তাহে ৬ দিনের প্রতিদিনই গড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘন্টার অমানবিক পরিশ্রম করতো কিন্তু তার বিপরীতে মিলত নগন্য মজুরী। অনিরাপদ পরিবেশে রোগ-ব্যধি, আঘাত, ম্রত্যুই ছিল তাদের নির্মম সাথী। তাদের পক্ষ হয়ে বলার মত কেউ ছিলনা তখন। ১৮৬০ সালে শ্রমিকরাই মজুরি না কেটে দৈনিক ৮ ঘন্টা শ্রম নির্ধারনের প্রথম দাবি জানায়। কিন্তু কোন শ্রমিক সংগঠন ছিলনা বলে এই দাবী জোরালো করা সম্ভব হয়নি। এই সময় স...